ভোলায় প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করায় ১২ জরিমানা, স্বাস্থ্য বিভাগের ১০০ নমুনা সংগ্রহ

ভোলায় জেলা জুড়ে নৌ বাহিনী ও পুলিশের পৃথক অভিযানে ১২ জনের জরিমানা করা হয়েছে। সড়কে অযথা ঘোরাফেরা করায় নৌ বাহিনীর হাতে ৮ জন এবং  প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নৌপথে  ট্রলারে যাত্রী পরিবহনের অভিযোগে পুলিশ ৪ জনকে আটক করে। পরে তাদের ভ্রাম্যমান আদালতে জরিমানা করা হয়েছে।

এদিকে জেলায় বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ১০০টি নমুনা রিপোর্টের মধ্যে ৪০ টি রিপোর্টে করোনা ধরার পড়েনি কারো।  জেলায় এখন পর্যন্ত  ৪২৫ জনের হোম কোয়ারেন্টিন শেষ হয় হয়েছে। বর্তমানে হোম কোয়ারেন্টিনে নতুন ২১জনসহ  ৫৭ জন আছেন। এদিকে মনপুরায় ৩৮জনকে প্রতিষ্ঠানিক হোম কোয়োরেন্টিনে রাখা হয়েছে, লক ডাউন করা হয়েছে দুটি পরিবারকে।

প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ট্রলারে যাত্রী পরিবহনের অভিযোগে ভোলায় দুটি ট্রলারের ৪ মালিক-হেলপারের  ৩৩ হাজার টাকার জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান এ জরিমানা আদায় করেন।

জরিমানা আদায়কৃতরা হলেন, লক্ষীপুরের মজুচৌধূরীর হাট এলাকায় আলাউদ্দিন ও সালাউদ্দিন এবং ভোলার চর আনন্দ গ্রামের মাইনুদ্দিন ও মাস্তাফিজ।

ইলিশা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ রতন কুমার শীল জানান, প্রশাসনের নিশেধাজ্ঞা অমান্য করে ৩টি ট্রলার লক্ষীপুর থেকে ভোলায় শতাধিক যাত্রী নিয়ে আসে। এ সময় নদীতে পুলিশের ৩টি টহল দল অভিযান চালিয়ে ৩টি ট্রলার জব্দ করে। পরে ভ্রাম্যমান আদালতে তাদের জরিমানা করে। এছাড়াও জব্দকৃত ৩টি ট্রলার নিলামে দেয়ার প্রস্তুতি চলছে।

করোনা ভাইরাস সংক্রামন ঝুঁকি এড়াতে পরবর্তি নির্শেদ না দেয়া পর্যন্ত জেলা অভ্যন্তরীন ও দুর পাল্লার রুটের সব ধরনের নৌ যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।

ভোলায় করোনা ভাইরাস সন্দেহে  সংগ্রহ করা ৮৭টি নমুনার মধ্যে এখন পর্যন্ত ৪০ টি রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে।

বৃহস্পতিবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ  এ তথ্য নিশ্চিত করে।

এদিকে গত ২৪ ঘন্টায় বিভিন্ন উপজেলা থেকে নতুন করে আরো ১৩ টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। যারা সবাই হোম কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন।

ভোলার সিভিল সার্জন ডাঃ রতন কুমার ঢালী জানান,  গত ৯ দিনে সর্বোমোট ১০০ টি নমুনা সংগ্রহ হয়েছে। যেগুলো রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রন ও গবেশনা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর) এবং পাবলিক  হেলথ ইনস্টিটিউট (আইপিএইচ) পাঠানো হয়।

যারমধ্যে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ৪০ টি রিপোর্ট আমরা হাতে পেয়েছি, যার সবগুলো রিপোর্ট নেগেটিভ এসছে। বলা যায়, এখন পর্যন্ত জেলার করোনা পরিস্তিতি ভালো রয়েছে।

এদিকে জেলায় এখন পর্যন্ত  ৪২৫ জনের হোম কোয়ারেন্টিন শেষ হয় হয়েছে। বর্তমানে হোম কোয়ারেন্টিনে নতুন ২১জনসহ  ৫৭ জন আছেন।

এদিকে মনপুরায় ৩৮জনকে প্রতিষ্ঠানিক হোম কোয়োরেন্টিনে রাখা হয়েছে, লক ডাউন করা হয়েছে দুটি পরিবারকে।

জেলায় করোনা সন্দেহে আইসোলেশনে রাখা ৩ জনই সুস্থ্য হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.