এবার ভোলা-২ আসনে আ’লীগ বিএনপির সংর্ঘষ ২০ মটরসাইকলে আগুন আহত অর্ধশত সাংবাদিকদের মারধর ক্যামেরা ছিনতাই

নিজস্ব প্রতিবেদক, ভোলা বার্তা ॥ এবার ভোলা-২ আসনে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি প্রার্থীর লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। আগের দিন ভোলা-৩ আসনের বিএনপি প্রার্থী তার নির্বাচনী এলাকা তজুমদ্দিন লালমোহন উপজেলায় আসার পর দিনভর সংঘর্ষ, ধাওয়া পাল্টাধাওয়া, ভাংচুর অগ্নি সংযোগের ঘটনা ঘটে। এর একদিন পর আজ রবিবার ভোলা-২ আসনের বিএনপি প্রার্থী হাফিজ ইব্রাহিম তার নির্বাচনী এলাকায় এলে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত অর্ধশত নেতাকর্মী সমর্থক আহত হয়। জ্বালিয়ে দেয়া হয় ২০টি মোটর সাইকেল। সাংবাদিকের ক্যামেরাসহ ভাংচুর করা হয় ৫টি মাইক্রবাস, বেশ কয়েকটি নির্বাচনী অফিস।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আজ সকালে ভোলা-২ আসনের বিএনপি প্রার্থী হাফিজ ইব্রাহীম ঢাকা থেকে লঞ্চযোগে তার নির্বাচনী এলাকা বোরহানউদ্দিন আসেন। ভোরে হাফিজ ইব্রাহিমকে স্বাগত জানাতে দলীয় নেতাকর্মীরা বোরহানউদ্দিনের হাকিমুদ্দিন লঞ্চঘাটে এসে জড়ো হতে থাকে। এক পর্যায়ে আওয়ামী লীগের লোকজনের সাথে তাদের ধাওয়া পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় ভোলা-২ আসনের আওয়ামী লীগের প্রার্থী আলী আজম মুকুল সাংবাদিক সম্মেলন করে অভিযোগ করেন, বিএনপি প্রার্থী এলাকায় থাকেন না। তার সাথে লোকজনের কোন যোগাযোগ নেই। তাই ঢাকা থেকে তিনি কয়েকশত ক্রাডার ভাড়া করে এনেছেন। তিনি আরও জানান, বোরহানউদ্দিন উপজেলায় উদয়পুর রাস্তার মাথা এবং হাকিমুদ্দিন এলাকায় আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রচারণা চলাকালে বিএনপির কর্মীরা হামলা চালিয়েছে। তিনি নির্বাচন কমিশনে বিষয়টি জানাবেন এবং আইনী ব্যাবস্থা নেয়ার জন্য অনুরোধ করবেন।
অপর দিকে বিএনপির প্রার্থী হাফিজ ইব্রাহিম অভিযোগ করেন, তিনি তার নির্বাচনী এলাকায় আসায় প্রতিপক্ষের লোকজন তার নেতাকর্মীদের উপর হামরা করেছে। এতে বোরহানউদ্দিন পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি নাসিম, ছাত্রদল সহসভাপতি সাজিদসহ ১৫ নেতাকর্মী আহত হয়।
এদিকে সংঘর্ষের ছবি তুলতে গেলে সাংবাদিকদের ক্যামেরা ছিনিয়ে নেয়া হয়। মারধর করা হয় প্রথম আলোর সাংবাদিক নেয়ামতউল্্যাহ,এনটিভির সাংবাদিক আফজাল হোসেনকে।

আপনার মন্তব্য জানান