তজুমদ্দিনে উপজেলা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে হামলা আহত ২০

তজুমউদ্দিন প্রতিনিধি ,ভোলা বার্তা।

আগামী ৩১ মার্চ ভোলায় তজুমদ্দিনে ৪র্থ দফায় উপজেলা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে, আনারস মার্কা প্রার্থী মোশারেফ হোসেন দুলালের ২০ কর্মীকে কুপিয়ে এবং পিটিয়ে গুরুতর আহত করেছে নৌকা মার্কা প্রার্থী ফজলুল হক দেওয়ানের ক্যাডার বাহিনী। এ ঘটনায় বর্তমানে উভয় পক্ষের নেতা কর্মীদের মাঝে তুমুল উত্তেজনা বিরাজ করছে। যে কোন মুহুর্তে বড় ধরণের সংঘর্ষের অশঙ্কা রয়েছে। আনারস মার্কা প্রার্থীর একাধিক নেতা কর্মীরা জনানা, ২৪ মার্চ বেলা ১১টার দিকে তজুমদ্দিনের সোনাপুর ইউনিয়নের ইন্দ্র নারায়নপুর এলাকায় আনারস মার্কা প্রার্থীর কর্মীরা নির্বাচনী প্রচার-প্রাচারণা চালাতে গেলে নৌকা মার্কা প্রার্থীর স্থানীয় ও বহিরাগত এক দল ক্যাডার বাহিনী সেলিম মাঝি, হাসান, মালেক, রিনা বেগম, ফাতেমা বেগম ও সালমা বেগমের উপর হামলা চালায়। এসময় সন্ত্রাসীরা সেলিম মাঝিকে বগী দা দিয়ে কুপিয়ে তার মাথা ও শরীরের বিভিন্ন যায়গায় গুরুতর যখম করে। অন্যদিকে ২৪ তারিখ বিকেলে আনারস প্রার্থী মোশারেফ হোসেন দুলাল উপজেলার চাচড়া ইউনিয়নে গণসংযোগ করে সন্ধ্যার পর ফকির হাট এলাকায় পথসভা কারার উদ্দেশ্যে রওয়ানা করলে নৌকা প্রার্থীর ক্যাডার বাহিনী সেখানে মারধর ও কুপিয়ে আনারস প্রার্থীর আরো ১৫ জন কর্মী-সমর্থককে গুরুতর আহত করে। বর্তমানে আহতরা তজুমদ্দিন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধিন রয়েছে। এদের মধ্যে গুরুতর ও অশঙ্কাজনকদের ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আনারস প্রার্থীর সমর্থক মোকলেছ, মাইনুদ্দিন, হাসেম, ইসমাইল, খালেদা বেগমসহ আরো অনেকে জানান, তজুমদ্দিনের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মোশারেফ হোসেন দুলালের বর্তমানে ব্যাপক জন সমর্থন রয়েছে। আগামী ৩১ তারিখে যদি সুষ্ট ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় তবে মোশারেফ হোসেন দুলাল ব্যাপক ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হবেন। বর্তমানে এ বিষয়টি সহজ ভাবে মেনে নিতে পরছেনা নৌকা প্রার্থী ফজলুল হক দেওয়ান। সে আনারস প্রার্থীকে নির্বাচনী মাঠ ছাড়া করার জন্য বর্তমানে হামলা-মামলাসহ বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। তারা আরো জনানা, এ ব্যাপারে তজুমদ্দিনের প্রশাসন নিরব ভূমিকা পালন করছে। পুলিশের সামনে আমাদের নেতা কর্মীদের হামলা চালালেও তারা গ্রেপ্তার করছেনা সন্ত্রাসীদের। আগামী ৩১ তারিখে তজুমদ্দিনের উপজেলা নির্বাচনটি সুষ্ট ও নিরপেক্ষ করার জন্য নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনের কাছে জোড় অনুরোধ জানান অনারস সমর্থকরা। এ ব্যাপারে অভিযুক্ত ফজলুল হক দেওয়ানের সাথে যোগাযোগ করা হলে সে সকল অভিযোগ অস্বীকার করেন। অন্যদিকে তজুমদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফারুক আহাম্মেদ জানান, উভয় পক্ষের মধ্যে ইতপূর্বে ২-২টা করে মামলা হয়েছে। পুলিশ প্রশাসন সজাগ দৃষ্টি রেখেছে। অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.