বোরহানউদ্দিনে প্রকাশ্যে বিষ তৈরির কারখানা !

ভোলার বোরহানউদ্দিনে প্রকাশ্যে বিষ তৈরির কারখানায় বিষ উৎপাদন করেও নির্বিকার রয়েছেন খোদ ভোলার জেলা প্রশাসন। পুকুরে ‍কয়েকশো মণ সুপারি ভিজিয়ে রেখে তাতে বিষাক্ত ক্যামিক্যাল মিশিয়ে বাজারজাত করছেন অসাধু ব্যবসায়ীরা। স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা এটিকে ক্যান্সারের জীবানু সহ শরীরের জন্য মারাত্বক ঝুঁকিপূর্ণ বললেও কোন প্রকার ব্যবস্থা নিচ্ছে না স্থানীয় প্রশাসন।

ভোলার বোরহানউদ্দিনের কাচিয়া ০১ নং ওয়ার্ডের মীর বাড়ির শাবুদ্দিনের পরিকল্পতভাবে কেমিক্যালের মিশ্রন দিয়ে পাকা সুপারী পুকুরে ভিজানো হচ্ছে। ভিজানোর কয়েক সপ্তাহ পর তা বাড়ির উঠানে বিষাক্ত ক্যামিক্যাল মিশিয়ে বস্তায় মজুত করে রাখা হচ্ছে । ভিজা সুপারীর দূর্গদ্ধে পরিবেশ দূষনের পাশাপাশি ধংস হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের জলজ প্রাণী। তাছারা রং ও বিষাক্ত কেমিক্যোলের মিশ্রনে এসব সুপারী মানুষের জন্য মরণব্যাধি ক্যান্সারসহ বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি হয়ে দাড়িয়েছে । এ ব্যাপারে বোরহানউদ্দিনের ওসি অসিম কুমার সিকদারকে জানালে তিনি তার ডিউটি অফিসারকে জানাতে বলেন। ডিউটি অফিসারকে জানালে তিনি ব্যাস্ততা দেখিয়ে বলেন, ওসি স্যারের অনুমতি ছাড়া কিছু করা যাবেনা। লালমোহনের সার্কেল অফিসার মো. রাসেলকে সংবাদ কর্মিরা জানালে তিনি বলেন, আপনি ইউএনও এসিলেন্ট কে জানান, তারা পারমিশন দিলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। স্থানিয়দের অভিযোগ, প্রশাসনের কোন প্রকার ব্যবস্থা না নেওয়ায় সাহাবুদ্দিন সহ অন্যরা নিয়মিত এ বিষ তৈরির কারখানা চালিয়ে যাচ্ছেন। বোরহানউদ্দিনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মো. শাহীন বলেন, এটা মোটেও স্বাস্থ্যসম্মত না । তবে তিনি এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিবেন বলে জানান। সাহাবুদ্দিনের সাথে কথা হলে তিনি অভিযোগের সুরে বলেন, এই সুপারী আমার না । এইগুলো সাদ্দামের সুপারী, সে আমার ভাই হয়। সাদ্দামের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, সুপারী ভিজানোর কথা স্বীকার করলেও ক্যামিক্যালের কথা অস্বীকার করে বলেন, ‘আমি সরকার দলীয় লোক’ একটু ব্যাস্ত আছি ।

আপনার মন্তব্য জানান