চরফ্যাসন জরুরী বিভাগে চিকিৎসা মিলছেনা টাকা ছাড়া

শাহাবুদ্দদিন আহমেদ, চরফ্যাসন প্রতিনিধি।।

ভোলার চরফ্যাসন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সরকারি সেবা পাচ্ছেনা গ্রামাঞ্চল থেকে আসা রোগীরা। চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা ডায়াগনস্টিক ও প্রাইভেট ক্লিনিকের দালাল শ্রেণীর খপ্পরে পরে সরকারি সেবা বঞ্চিত হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

 

বৃহস্পতিবার (৭ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টায় চরফ্যাসন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে দেখা যায়, জরুরি বিভাগ থেকে শুরু করে রোগীদের বেড পর্যন্ত ডায়াগনস্টিক ও প্রাইভেট ক্লিনিকের দালাল শ্রেণী এবং ঔষধের দোকানদারদের ভিড়ের জন্য চিকিৎসা সেবা দিতে ব্যাহত হচ্ছেন ডাক্তার ও নার্সরা। এ বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও রোগীদের পরিবার।

 

জরুরী বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীর স্বজনরা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, জরুরী বিভাগে চিকিৎসা মিলছেনা টাকা ছাড়া, চিকিৎসা নিতে হলে ১০ টাকা থেকে শুরু করে গুনতে হচ্ছে হাজার টাকা। দেখার যেন কেউ নেই অনিয়ম ও ডাক্তারদের সেচ্ছাচারিতা।

 

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এ দুর্বল ব্যাবস্থাপনায় চিকিৎসার মান নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিচ্ছে এলাকাবাসির মনে।

 

হাসপাতাল ঘুরে দেখা যায়, ডাক্তারদের অনুপস্থিতি, হাসপাতালে প্রবেশের প্রধান ফটক থেকে জরুরী বিভাগ পর্যন্ত এবড়ো থেবড়ো ভাঙ্গা রাস্তা ও জলাবদ্ধতা, নেই কোনো নিষ্কাশন ব্যবস্থা। অটোরিক্সা ও প্রাইভেট এম্বুলেন্সসহ বিভিন্ন গাড়ি পার্কিংয়ে ছেয়ে গেছে পুরো হাসপাতাল এরিয়া।

 

হাসপাতাল সূত্র জানান. হাসপাতালে ৬৮জন কর্মকর্তা ও কর্মচারির মধ্যে ৪ জন অনুপস্থিত রয়েছেন। এরা হলেন- ডাঃ হাসান মাহমুদ মেডিকেল অফিসার (ছুটিতে), ডাঃ সুমিত্রা মজুমদার মেডিকেল অফিসার (মাতৃত্যকালীন ছুটিতে), নুর মোহাম্মদ মেডিকেল অফিসার (অসুস্থ) এবং ডাঃ তাজুল ইসলাম দির্ঘদিন

 

এ বিষয়ে চরফ্যাসন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নির্বাহি কর্মকর্তা ডাক্তার শোভন কুমার বশাক বলেন, দালাল শ্রেণীর তৎপরতায় ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে ব্যবস্থা নিচ্ছি খুব শিগ্রই এবং জরুরী বিভাগে টাকা নিয়ে চিকিৎসা’র বিষয়ে আমি অবগত হয়েছি তবে এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নিচ্ছি।

 

এসময় তিনি চিকিৎসকদের অনুপস্থিতি প্রসঙ্গে বলেন, ৩জন ডাক্তার ছুটিতে আছেন এবং একজন দির্ঘদিন যাবত অনুপস্থিত রয়েছেন।

আপনার মন্তব্য জানান