চরফ্যাশনে বিএনপির প্রার্থী আলমের ইন্ধনে হামলার অভিযোগ নুরুল ইসলাম নয়নের

ভোলা বার্তা, চরফ্যাসন প্রতিনিধি ।। ভোলা-৪ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থীর মনোয়নপত্র জমা দেয়ার পর দিনই বিএনপির প্রার্থী নয়ন আপর প্রার্থী আলমের বিরুদ্ধে হামলার ইন্দনের অভিযেগ করেছেন। নয়নের নির্বাচনী গণসংযোগে আসার পথেই জেলা বিএনপি ও অংগসংগঠনের ১৫ নেতাকর্মীকে পিটিয়ে আহত করা হয়েছে। আহত ৭জন ভোলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গতকাল বৃহম্পতিবার বেলা সাড়ে ১২টায় চরফ্যাশন প্রেস ক্লাবে সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ তুলেছেন কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী সদস্য ও যুবদলের (ভারপ্রাপ্ত) সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, আমার প্রতিপক্ষ প্রার্থী স্থানীয় সন্তানের রাজনীতি চাননা। ২৮ নভেম্বর মনোয়নপত্র জমা দেয়ার পরে আমার বৃহম্পতিবার  ১০টায় চরফ্যাসন সদরে গংযোগের তারিখ নির্ধারিত ছিল। আমি কেন্দ্রীয় নেতা হিসাবে ভোলা থেকে বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা আমার গণসংযোগে অংশ গ্রহন করা জন্যে সাড়ে ৮টায় ডাওরী বাজার নামক স্থানে পৌছলে আমার প্রতিপক্ষের ইন্দনে আওয়ামীলীগের কর্মীরা মাইক্র বাসে হামলা চালায়। এ হামলায় জেলা বিএনপি যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইয়ারুল আলম লিটন, জেলা যুবদলের সধারণ সম্পাদক ভিপি সেলিম, যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মনির রাঢ়ী, সিনিয়র সহ-সভাপতি ফেরদাউস, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি নুরে আলম, সম্পাদক আল আমীন, সাংগঠনিক শরীফসহ ১৫জন আহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে ৭জনকে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকীরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
বেলা সাড়ে ১২টপয় চরফ্যাসন প্রেস ক্লাবের জাতীয় ও আঞ্চলিক পত্রিকার সংবাদকর্মীদের সাথে এক মতবিনিময়ের আয়োজন করেন। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে, ভোলা-৪ আসনে বিএনপির মনোনীত এই প্রার্থী নুরুল ইসলাম নয়ন বলেন, আমার জম্মস্থান চরফ্যাসন পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের শরীফ পাড়ায়। আমি চরফ্যাসন মডেল সরকারি ও টিভি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পড়া লেখা করেছি। এখানে আমার নাড়ীর টান রয়েছে। বিএনপি ক্ষমতায় আসলে এবং আমি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে চরফ্যাসন-মনপুরায় টেকসই উন্নয়ণ করবো। প্রতিহিংসার রাজনীতি পছন্দ করিনা উল্লেখ করে বলেন, চরফ্যাসনের সন্তান হলেও ইচ্ছা করে দীর্ঘ কয়েক বছর অনুপস্থিত রয়েছি। তার পরেও চরফ্যাসনে কিছু সংখ্যক নেতারা আমার বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় দপ্তরে অভিযোগ তুলেছেন। হাইকমান্ডের নির্দেশের অপেক্ষায় ছিলাম। হাইকমান্ড দলথেকে মনোনয়ন দিয়ে ভোলা-৪ চরফ্যাসন-মনপুরা আসনে পাঠিয়েছেন। তাই এখন থেকে স্থানীয় রাজনীতি প্রতিষ্ঠা করতে মাঠে কাজ করে যেতে চাই। স্থানীয় ছেলে হিসাবে আমার এলাকায় এখন থেকে সার্বিক যোগাযোগ থাকবে। আপনারা(সাংবাদিকরা) আমাকে ও আমার নেতাকর্মীদের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করছি।
এই সময় উপজেলা বিএনপির উপদেষ্টা মন্ডরীর সদস্য একে এম শাহাবুদ্দিন, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি প্রিন্স মহাজন, সাবেক উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি আহসান উল্যাহ বাহার, উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আশরাফ উপজেলা যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক আখন দুলাল, ছাত্রদলের সহ-সভাপতি সোয়েব, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক রাশেদুল হাসান নয়ন,
চরফ্যাসন সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাধারন সম্পাদক জাহিদ উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মন্তব্য জানান