চরফ্যাশনে ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদকারী সেই এনজিও কর্মীর মৃত্যু

অবশেষে মারা গেলেন ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদকারী সেই এনজিও কর্মী। শনিবার রাতে বরিশাল শেরে বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় (শেবাচিম) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

এর আগে ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় বুধবার ভোলার চরফ্যাশনের চকবাজার নামক স্থানে সোহেল (২০) নামে ওই এনজিও কর্মীকে কুপিয়ে আহত করে দুর্বৃত্তরা।

জিন্নাগড় ইউপি চেয়ারম্যান মো. হোসেন মিয়া এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

নিহত সোহেল জিন্নাগড় ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের জামাল মিয়ার ছেলে।

বুধবার এ ঘটনার পরই আহত সোহেলের বাবা জামাল মিয়া বাদী হয়ে শামীমসহ ২ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ১৫-১৬ জনকে আসামি করে চরফ্যাশন থানায় মামলা করেছেন।

পুলিশ এবং স্থানীয় সুত্র জানা গেছে, জিন্নাগড় ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের ছালাউদ্দিনের ছেলে চরফ্যাশন সরকারি কলেজের এইচএসসি প্রথম বর্ষের ছাত্র শামীম মঙ্গলবার (৯ অক্টোবর) স্কুলগামী জনৈক ছাত্রীকে চকবাজার সংলগ্ন স্থানে ইভটিংজিং করে। ওই সময় চকবাজারে কর্মরত চকবাজার মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিঃ কর্মী সোহেল এর প্রতিবাদ করে।

এনিয়ে বুধবার সকালে চকবাজারের সাত্তারের দোকানের সামনে শামীম সোহেলের সঙ্গে ঝগড়া হয়। এক পর্যায়ে শামীম পাশের চা দোকান থেকে ছুরি এনে তার পেট ও পিঠের বাম পাশে ঢুকিয়ে দেয়।

এতে সোহেল অচেতন হয়ে পড়লে স্থানীয়রা তাকে চরফ্যাশন হাসপাতালে নিয়ে আসে। অবস্থা বেগতিক দেখে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল পাঠায়।

চরফ্যাশন হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কর্মরত চিকিৎসা সহকারী রিয়াজ উদ্দিন জানান, তার পেট ও পিঠের বাম পাশে ধারালো অস্ত্র ধারা কাটা ছিল।

চরফ্যাশন থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আনিসুর রহমান জানান, নিহতের বাবা জামাল মিয়ার দায়েরকৃত পূর্বের মামলাটি হত্যা মামলা হিসেবে নেয়া হবে। আসামি গ্রেফতারে পুলিশ তৎপর রয়েছে।

আপনার মন্তব্য জানান