২০৩০ সালে বাংলাদেশে কোন দরিদ্র থাকবে না ভোলায় উন্নয়ন মেলার উদ্বোধনাকালে তোফায়েল আহমেদ

বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন- দেশে দরিদ্রের সংখ্যা কমেছে, শিক্ষার হার বেড়েছে। ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে কোন দরিদ্র থাকবে না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দারিদ্র বিমোচনের জন্য ব্যাপক কর্মসূচী গ্রহণ করেছেন। গ্রামে কাবিখা, টিআর ভিজিভি, ভিজিডি, প্রতিবন্ধী ও বয়স্কভাতা, নারী পরিত্যক্তা ও মুক্তিযোদ্ধা ভাতা দিয়ে গ্রামের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (৪ অক্টোবর) বিকালে ভোলায় ৩দিন ব্যাপী উন্নয়ন মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি’র বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, রপ্তানি, রিজার্ভ ও বিদ্যুৎ উৎপাদনে পাকিস্থান থেকে বাংলাদেশ অনেক এগিয়ে রয়েছে। সকল ক্ষেত্রে এগিয়ে রয়েছে দেশ। ২০২১ সালের মধ্যমে মধ্যম আয়ের দেশ, ২০২৪ সালে উন্নয়নশীল দেশ এবং ২০৪১ সালে উন্নত দেশে পরিনত হবে।
আগামী নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে বিজয়ী করার আহব্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী যদি আর ৫টি বছর ক্ষমতায় থাকে তাহলে বাংলাদেশ পৃথিবীর মধ্যে শুধু উন্নয়নশীল দেশ নয় এবং একটি গর্বিত দেশে পরিনত হবে।
স্থানীয় উন্নয়নের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, এক সময় ভোলায় কোন রাস্তাঘাট ছিলোনা, পোল কালভার্ট ছিলো না এই দ্বীপ জেলা ছিলো অন্ধকার। কিন্তু আজ উন্নয়নে জেলার গ্রামগুলো শহরের শহরে রুপান্তিত হয়েছে। সব স্থানেই বিদ্যুতের আলো। নদী ভাঙ্গন রোধ হয়েছে। চারদিকে অভুতপূর্ব উন্নয়ন হয়েছে। ভোলা-বরিশাল ব্রিজ হলেই মুল ভুখন্ডের সাথে যুক্ত হবে ভোলা। ‘উন্নয়নের অভিযাত্রায় অদম্য বাংলাদেশ’ এ স্লোগানকে সামনে রেখে শহরের সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ চত্বরে ৩দিন ব্যাপী উন্নয়ম মেলা শুরু হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, খাদ্য সচিব মো: সাহাবুদ্দিন। স্বাগব বক্তব্য রাখেন, জেলা প্রশাসক মো: মাসুদ আলম ছিদ্দিক। উপস্থিত ছিলেন, পুলিশ সুপার মো: মোকতার হোসেন, পৌর মেয়র মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোশারেফ হোসেন, জেলা আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মইনুল হোসেন বিপ্লব প্রমুখ।
এরআগে জেলা প্রশাসক কার্যালয় চত্বর থেকে উন্নয়ন মেলা উপলক্ষে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়। র‌্যালিটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিন করে মেলা চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। বাণিজ্যমন্ত্রী বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে জেলার মেলা উদ্বোধন করেন। মেলায় সরকারে বিভিন্ন দপ্তরের ১১০টি স্টল বসানো হয়েছে। মেলায় প্রতিদিন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

আপনার মন্তব্য জানান