বোরহানউদ্দিন ফায়ার সার্ভিস কর্মীদের দরজা আটকিয়ে ঘুমাতে বললেন— ডি এ ডি জাকির হোসেন

গোলাম মাহমুদ শাওন,বোরহানউদ্দিন প্রতিনিধি ঃ
ভোলা ফায়ার সার্ভিস অফিসের উপসহকারী পরিচালক(চঃদঃ) মোঃ জাকির হোসেন ,বোরহানউদ্দিনের অফিসের স্টাফদের দরজা আটকিয়ে ঘুমাতে বললেন এমন কথাই বললেন ষ্টেশন মাষ্টার খোরশেদ আলম।
প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাস নামক দূর্যোগে যখন লন্ডভন্ড বিশ্ব।সারা দেশের মতো বাংলাদেশে যখন আতঙ্ক বিরাজমান। ভয়াবহ এই ভাইরাস প্রতিরোধে প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিরা দিশেহারা। প্রাকৃতিক এই দূর্যোগ নামক করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সারা দেশের ন্যায় ভোলা জেলার বিভিন্ন উপজেলায় বিভিন্ন কর্মসূচী গ্রহন করছে। ভাইরাস প্রতিরোধ ও নিরাপত্তার স্বার্থে রাজধানীর সাথে বিভাগের, জেলার উপজেলাগুলোর সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছে প্রশাসন। নিত্য প্রয়োজনীয় পন্যের দোকান ছাড়া সকল দোকানপাট বন্ধ ঘোষনা করা হয়েছে। এমতবস্থায় বোরহানউদ্দিন পৌরসভার সড়কগুলো জীবানুমুক্ত করার স্বার্থে বোরহানউদ্দিন ফায়ার সার্ভিসকে জীবানুনাশক স্প্রে করার অনুরোধ জানান স্থানীয় প্রশাসন ও পৌর মেয়র । জেলা সদরের রাস্তা ও চরফ্যাশন পৌরসভার রাস্তাগুলো ফায়ার সার্ভিসের গাড়ী দ্বারা জীবানুণাশক স্প্রে করা হয়। যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। বেশ প্রশংসা ও কুড়ান তারা। উপজেলা প্রশাসন ও পৌর মেয়র এর অনুরোধে বেকে বসেন বোরহানউদ্দিন উপজেলার স্টেশন মাষ্টার খোরশেদ আলম। এসব তথ্য বোরহানউদ্দিন উপজেলা প্রশাসনের।
বোরহানউদ্দিন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ বশির গাজী জানান, পৌরবাজারের সড়ক গুলোকে জীবানুমুক্ত করার জন্য ষ্টেশন মাষ্টার কে বললে সে অপরাগতা প্রকাশ করেন। উর্ধ্বতন কর্মকর্তার দোহাই দিয়ে কাজ করতে পারবেন না বলে জানান। বোরহানউদ্দিন পৌরসভার মেয়র রফিকুল ইসলাম,তাকে উপকরণ ও ফুয়েল খরচ দেওয়া হবে বললেও তিনি অপরাগতা প্রকাশ করেন। ষ্টেশন মাষ্টার খোরশেদ আলম বলেন,উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ তাদেরকে দূযোগে দরজা আটকিয়ে ঘুমাতে বলেন।
যদিও ভোলা ফায়ার সার্ভিস অফিস,চরফ্যাশন ও পিরোজপুরের কাউখালি উপজেলার অফিস সমুহ তাদের কার্য্ক্রম চালিয়ে সড়ককে জীবানুমুক্ত করণের চেষ্টা করে প্রশংসা কুড়িয়েছে। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কর্তৃপক্ষের প্রশংসা করেছে অনেকেই। জনগনের করের টাকায় বেতনভূক্ত বোরহানউদ্দিন ফায়ার সার্ভিসের ষ্টেশন মাষ্টার জাতীয় এই দুর্যোগে দরজা আটকিয়ে ঘুমিয়ে থাকার কথা বলেন।
বোরহানউদ্দিন পৌরসভার মেয়র মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন,সমস্ত খরচ বোরহানউদ্দিন পৌরসভা বহন করবে এমন কথা বলে এই দুর্যোগে আমি তাদের সহযোগিতা চাই।পরে প্যানেল মেয়র-১ হারুন অর রশিদ কে পাঠাই। তারা আমাদেরকে সহযোগিতা করেনি।ষ্টেশনমাষ্টার খোরশেদ আলম,উপসহকারী পরিচালক জাকির হোসেন এর রেফারেন্স দিযে বলেন,তিনি আমাকে অনুমতি দেয়নি।
ভোলা ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক মোঃ জাকির হোসেন জানান,আমি বরিশালের ডিডি স্যারের কাছে বিষয়টি বললে,তিনি অনুমতি দেননি।তবে ভোলা সদরে কিভাবে স্প্রে করলেন এমন প্রশ্নের জবাব দেননি।

আপনার মন্তব্য জানান