তজুমদ্দিন টু মনপুরা রুটে সি-ট্রাক বন্ধ ॥ যাত্রী দূর্ভোগ চরমে

তজুমদ্দিন টু মনপুরার নৌপথে একমাত্র পারাপারের মাধ্যম সি-ট্রাক দীর্ঘদিন অচল থাকায় এই রুটে যাতায়াত বন্ধ হয়ে গেছে সাধারণ যাত্রীদের। জেলা সদর, বোরহানউদ্দিন, লালমোহন ও তজুমদ্দিনের সাথে মনপুরা উপজেলার যাতায়াতের বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় সরকারী চাকরিজীবিসহ সাধারণ যাত্রী ও ব্যবসায়ীরা পড়েছে চরম দূর্ভোগে।
জানা যায়, তজুমদ্দিন টু মনপুরার নৌ-রুটে একমাত্র চলাচলের মাধ্যম সি-ট্রাকটি বিকল অযুহাতে বন্ধ করে দেয় ইজারাদার। দীর্ঘ চার মাস যাবত সরকারী সি-ট্রাক নস্ট দেখিয়ে বন্ধ রেখে ইজারাদার ৩১ মার্চ থেকে ডেঞ্জার জোনে সরকারী আইন অমান্য করে স্টীলবডি একতলা লঞ্চ দিয়ে যাত্রী ও মালামাল পারাপারের ব্যবস্থা করেন। এদিকে জেলা পরিষদ থেকে লিখিত অনুমতি নিয়ে মালামাল পারাপার করার সময় অন্যকোন মাধ্যম না থাকায় স্টীলবডি খেয়া ট্রলারে দিয়ে সরকারী নিয়ম ভেঙ্গে যাত্রী ও মালামাল পারাপারের সময় ১১ মার্চ সকালে মনপুরা উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে খেয়া ট্রলার মালিকসহ তিনজনকে আটক করে। পরে আটককৃতদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে অভ্যন্তরীন নৌঃ চঃ অঃ এর ৬৬ ও ৬৭ ধারায় ৮০ (আশি) হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড রায় প্রদান করেন। এ কারণে বর্তমানে এই রুটে যাত্রী ও মালামাল পারাপার সম্পূর্ণরুপে বন্ধ হয়ে যায়। বিকল্প ব্যবস্থ না থাকায় চরম বিপাকে পড়েছে এই রুটে চলাচলকারী যাত্রী ও ব্যবসায়ীরা। যার ফলে তজুমদ্দিন, বোরহানউদ্দিন, লালমোহন ও ভোলা জেলা সদরের সাথে নৌ-পথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে মনপুরা উপজেলার সাথে।
এদিকে যাত্রীরা অভিযোগ করেন, সি-ট্রাক ইজারাদার বেশি লাভের আশায় নষ্টের অযুহাতে নৌকার মালিকদের সাথে টাকা ভাগাভাগির রফাদফা করে তা বন্ধ রাখেন। প্রতি বছরের অধিকাংশ সময় সি-ট্রাকটি নষ্ট দেখিয়ে ঘাটে বসিয়ে রাখেন।
সি-ট্রাক ইজারাদার মোঃ রাব্বী জানান, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে যাতায়াত বন্ধ রয়েছে। সমাধানের চেস্টা চলছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.